মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

মামলার আবেদন

বরাবর

চেয়ারম্যান

০৫ নং চালিতাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ।

বিষয়ঃ জমি-জমা সংক্রান্ত।

জনাব,

বিনিত নিবেদন এই যে, আমি মোঃ জাহাঙ্গীর মুফতি, পিং মৃতঃ মোফাজ্জেল হোসেন মুফতী, সাং গোলবুনিয়া, এই মর্মে ন্যায় বিচারের প্রার্থনা করিতেছি যে, বিবাদী মোসাঃ জাহানারা বেগম আমার আপন ফুফু আমার বাড়ীর কাছে তাহার জমি জমা। সে আমার কাছে পাট্টা দেয় পরে তাহার টাকার প্রয়োজন হওয়ায় আমাকে কবলা দেওয়ার প্রস্তাব দিলে আমি রাজী না হওয়ায় তিনি আমাকে তার জমি থেকে তার নাম কাটাইয়া আমাকে ০৩ একর জমি জরিপ করাইয়া দেয় এবং গলাচিপা থেকে আমাকে স্ট্যম্পে বায়নাপত্র লেখাইয়া আনিতে বলে। কাগজ নিয়া বাড়ীতে আসিলে তাহার ছেলে ফারুখ মুফতী ও নাতি ছায়েম মুফতীকে তাহার সাথে নিয়া আসিলে জাহানারা বেগম দাতা এবং ওরা দুইজন সাক্ষী রাখিয়া টাকা নিয়া যায়। পরে আবার তার টাকার প্রয়োজনে আমার ছোট ভাই আলমগীর মুফতির নামে বাড়ীর জন্য জাহানারা বেগম দাতা ও ফারুখ মুফতি, ছায়েম মুফতীকে সাক্ষী রাখিয়া ১০ কড়া জমি দেয়, যা তার নামে জরিপ করাইতে পারেনাই। পরবর্তীতে তার টাকার প্রয়োজনে আমার কাছে টাকা নাথাকায় আমার ছোট ভাই আলমগীর ও নুরুজ্জামানকে রাখিতে বলি তাহারা তাহাদের বউদের গরু বিক্রি করে টাকা সংগ্রহ করে আমি গলাচিপা যাই এবং রেফ্-এ কবলা বায়না লিখিয়া আনি। তখন তাহার ছেলে ও নাতি ঢাকা থাকায় জাহানারা বেগম দাতার সাক্ষর করিয়া টাকা নিয়া যায়। তখন সে বলে জমির দলিল দেব আর সাক্ষীর দরকার নাই্। পরে তাহার বোনের ছেলেদের কাছে বলে, আমি নাকি জমি বেশি ভোগ করিতেছি। তারা আমাদের বাড়িতে আসে জমিজমা পরিমাপ করে কিন্তু তাতে জমি বেশি না হয়ে উল্টো আমার জমি কম হয়। তখন তাহারা সিদ্ধান্ত দেয় আপনি টাকা দিয়া জমি ছারাইয়া নেন। এবং আমাকে ছাড়িয়া দিতে বলে, আমি রাজি হই। পরে টাকা পয়সা না দিয়া সে আমার বিরুদ্ধে লিটন চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ করে। তখন চেয়ারম্যান সাহেব আমার কাগজ-পত্র নিয়া হাজির হইতে বলিলে আমি হাজির হই। এবং জাহানারা বেগম ও তার ছেলে এবং নাতিরা উপস্থিত ছিল। ইউপি সদস্য চান মিয়া খান ও বহু গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ সেখানে উপস্থিত ছিল। সেখানে যে সিদ্ধান্ত হবে তাহা আমরা উভয় পক্ষ মানিয়া নিব। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় পাট্টা-কবলা হিসাবান্তে ২,৩৫,০০০/= টাকা কিন্তু সালিস গন আমাকে ২,০০,০০০/= টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। এবং জাহানারা বেগম তা মানিয়া এক মাসের সময় নেয়। চলমান পাতা-০১ কিন্তু টাকা না দেওয়ায় চেয়ারম্যান সাহেব আমাকে কাগজ পত্র দিয়া দেয় এবং আমাকে প্রত্যয়ন পত্র দিয়া দেয়। আমার জমি থেকে বাক্কু মুফতীর কাছে ১.৫০ একর জমি পাট্টা দেয়। আমি, চান মিয়া খান, ননী মুফতী আরো বহু লোকজনকে ডাকিয়া আমি জমি মাপাই তাতে দেখা যায় আমার ২ একর জমি কম আছে। তখন সাইক্লোন শেল্টারে বসি। আমার ফুফু আমাকে বলে যে এই জমিটুকু বাক্কু মুফতিকে দিয়া দেও, আমি আগামী মৌসুমে তোমাকে দলিল করিয়া দেব। তখন এই ঘাটতি পুরন করব। এই কথার উপর আমি জমি দিয়া দেই। পরের দিন বাক্কু মুফতী ও ফারুখ মুফতী ঝগড়া বাধে এবং আমি ছাড়াইয়া দেই। পরের দিন বাক্কু মুফতি তাহার স্ত্রীকে নিয়া পটুয়াখালী দ্রুত আদালতে আমি সহ আমার ভাইদেরকে আসামী করিয়া মামল দায়ের করে। আদালত মামলা তদন্তের জন্য রাঙ্গাবালী থানায় স্থানান্তর করে। আমি থানায় হাজির হইলে ওসি সাহেব আমাকে শালিসির জন্য পরামর্শ দেয়। আমি থানা আওয়ামিলীগ সভাপতির কাছে বলি। সভাপতি সাহেব রাঙ্গাবালী থানা আওয়ামীলীগ সেক্রেটারী এনামুল ইসলাম লিটু ও চালিতাবুনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি কাছে ফয়সালা করার জন্য বলেন। তাহারা ঘটনাস্থলে যান এবং সালিশ ফয়সালা করেন। এবং থানা থেকেও উক্ত শালিসি অনুসারে মামলা নিশ্পত্তি করে। পরবার্তীতে বাক্কু মুফতী শালিসী না মানিয়া তার স্ত্রীকে নিয়া মামলায় নারাজী দেয়। ওই সময় আমার ফুফু জাহানারা বেগম আমার নামে থানায় জিডি করে এবং কোর্টে মামলা করে। পরে আমি ০৫ নং চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের সম্মানিত চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে অভিযোগ করি এবং জাহানারা বেগমও অভিযোগ করে। চেয়ারম্যান সাহেব আমাদের কাছ থেকে একশত পঞ্চাশ টাকার স্ট্যাম্প চাহিলে আমারা উভয় পক্ষ স্ট্যম্পে দস্তখত করি। আমি ষ্ট্যম্প, রেফ ও অন্যান্য কাগজপত্রের ফটো কপি সহ জমা প্রদান করি। তাদের হাতে আমার দেওয়া একখানা কাগজ আছে, আমার জানা মতে সেখানে কট বলিয়া কোন উক্তি লেখিনাই। কিন্তু সালিশগনের কাছে উপস্থাপিত কাগজে উহা বিদ্যমান ছিল যা সম্পূর্ন জালিয়াতি। জাহানারা বেগম কর্তৃক আমাকে দেওয়া যে কাগজটি সে অস্বীকার করিতেছে সেটা সম্পূর্ন সত্য। অতএব, এই সত্য প্রমান সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য মহোদ্বয়ের আমি কাছে বিনীতভাবে আনুরোধ জানাইতেছি।

 

তারিখঃ ১০/০৬/২০১৩ ইং

 

নিবেদক

 

মোঃ জাহাঙ্গীর মুফতী


Share with :

Facebook Twitter